Hot video

Showing posts with label সতর্কতা. Show all posts
Showing posts with label সতর্কতা. Show all posts

Saturday, April 2, 2016

Soft Drinks

কোমল পানীয় বা
soft drinks হলো মাদক বিহীন তরল। বেশিরভাগ কোমল পানীয়তেই কার্বন সমৃদ্ধ পানি, মিষ্টিজাতীয় পদার্থসহ সুগন্ধযুক্ত পদার্থের উপাদান, ক্যাফেইন থাকে।
আমরা অহরহ এটি খেয়ে থাকি তাই এর যে ক্ষতিকর দিক রয়েছে তা নিয়ে আমরা কেউ ভাবি বলে মনে হয় না।

একটি ৩৫৫মি.লি এর কোকের ক্যানে প্রায় ১০চা চামচের মত চিনি থাকে। এই অতিরিক্ত চিনি দেহের উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে। অতিরিক্ত চিনি দেহে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে দেহে ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে যায় যা সবার জন্যই ক্ষতিকর বিশেষত ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তো বটেই।এছাড়া অতিরিক্ত চিনি ফ্যাট হিসেবে দেহে সঞ্চিত হয়, ফলে দেহের ওজন বেড়ে যায়। পশ্চিমা দেশসমুহে মুটিয়ে যাবার হার বেড়ে যাবার অন্যতম কারণ এই কোমল পানীয়। আর এই অতিরিক্ত ওজন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এর অন্যতম কারণ হতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত চিনি দাঁতের গর্তজনিত ক্ষয় করে থাকে। দাঁতের এনামেল হলুদ করতেও ভুমিকা রয়েছে এই কোমল পানীয়ের।প্রাত্যহিক কোমল পানীয় পান করার ফলে আমাদের ৩০% ওজন বেড়ে যাবার ঝুঁকি রয়েছে। পরীক্ষায় জানা যায় যে কৃত্রিম চিনি আমাদের মস্তিষ্ককে ভাবতে সাহায্য করে যে এটা মিষ্টি। তাই অতিরিক্ত শর্করার প্রতি আমাদের মস্তিষ্ক উত্তেজিত হয় এবং মস্তিষ্কের বোঝা বেড়ে যায়।
কোমল পানীয়তে ব্যবহৃত কার্বন, ক্যালসিয়াম এর পরিমাণ কমিয়ে দেয়। ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়ের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তাই দীর্ঘদিন ধরে ক্যালসিয়াম এর পরিমাণ কম থাকলে হাড় ক্ষয় হয়ে যায় যাকে বলা হয় অস্টিওপোরেসিস। অন্যদিকে ক্যাফেইন শরীরের ক্যালসিয়াম এর পরিমাণ কমায়, সাথে সাথে আমাদের কেন্দ্রীয় স্নায়ুকে উত্তেজিত করে ফলে মানসিক উত্তেজনা বেড়ে যায়, নিদ্রাহীনতার সমস্যা দেখা যায়।
কোমল পানীয়তে সোডিয়াম বেনজয়েট পদার্থের অস্তিত্ত রয়েছে। শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ আবিস্কার করেছন সোডিয়াম বেনজয়েট ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত এবং কর্মক্ষমতা হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সফট ড্রিংকস দেহে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। ক্যারামেলের রং আনার জন্যে সফট ড্রিংকসে পলি-ইথিলিন গ্লাইকোল নামে যে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, তা ক্যান্সার সৃষ্টির জন্যে দায়ী।
মজার ব্যাপার হলো, ডায়েট কোলা নামে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে যে সফট ড্রিংকস বিক্রি হয় তাতে চিনির পরিবর্তে এসপার্টেম নামে একটি কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। দেহের ওপর এ উপাদানটির রয়েছে ৯২ ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব। তার মধ্যে অন্যতম ব্রেন টিউমার, বন্ধ্যত্ব, ডায়াবেটিস, মৃগী এবং মানসিক ভারসাম্যহীনতা।সফট ড্রিংকস যাতে বরফের মতো জমে না যায় সে জন্যে এতে ইথিলিন গ্লাইকোল নামের একটি উপাদান ব্যবহার করা হয়। এটি প্রায় আর্সেনিকের মতোই একটি বিষ। কিডনির ওপর এর প্রভাব খুবই ক্ষতিকর।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যারা সফট ড্রিংকস খান না বা পরিমিত খান, তাদের তুলনায় যারা প্রচুর পরিমাণে খান তাদের কিডনিতে পাথর জমার হার প্রায় তিনগুণ। সফট ড্রিংকসে যে স্যাকারিন ব্যবহার করা হয়, তাতে ইউরিনারি ব্লাডার ক্যান্সার অর্থাৎ মূত্রাশয়ের ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
প্রচলিত আরেকটি বিশ্বাস হল কোমল পানীয় হজমে সাহায্য করে। আমরা অনেকেই রিচফুড খাওয়ার পর সফট ড্রিংকস খেতে চাই এ ধারণায় যে, এতে খাবার দ্রুত হজম হবে। আমাদের দেহ সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খাবার হজম করে থাকে।
কিন্তু সফট ড্রিংকস যখন পরিবেশন করা হয়, তখন এর তাপমাত্রা থাকে ৩/৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কাজেই খাবার গ্রহণের পর যখন ঠান্ডা কোমল পানীয় পান করা হয়, তখন হজমে তো সাহায্য করেই না, উল্টো পচন ধরায়।তাছাড়া এসিডিক হওয়ার কারণে সফট ড্রিংকস পাকস্থলীর সংবেদনশীল এলক্যালাইন ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলে। ফলে পেটে ব্যথা, ফুলে যাওয়া, বদহজম, গ্যাস, টক ঢেঁকুর ইত্যাদি নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।
সত্যি বলতে গেলে কোমল পানীয় আমাদের জীবনের অত্যাবশ্যকীয় জিনিস হয়ে গেছে। একে একেবারে বর্জন করা সোজা কথা নয়। তার পরেও নিজেদের কথা ভেবেই কোমল পানীয়কে যতটুকু সম্ভব দূরে রাখা উচিৎ। আর- http://dgfpbd.blogspot.com

Friday, April 1, 2016

Watching TV Is A Warning Sign You’re Depressed & Lonely

Watching TV Is A Warning Sign You’re Depressed & Lonely
by health care ...01-04- 2016


 
 




Disappointing:watching to "block out"negative feelings
Disappointing:watching to “block out”negative feelings
Watching TV Is A Warning Sign You’re Depressed & Lonely.Watching TV is no longer considered a “harmless addiction” but depressed people will watch when low.Watching is linked to feelings of loneliness and depression,a new study suggests.
According to the study,where more than 300 people were surveyed,the more lonely and depressed people were,the more likely they were to watch TV.
Their TV viewing habits and moods were  also studied.
Those who were lonely and depressed were found TV as a distraction from their negative feelings.
People who lack self-control also were unable to resist the temptation to keep on watching even when they have other tasks to complete.
Some people adopt the habit of spending days or multiple hours watching several episodes of their favorite programs,movies or series by means of DVDs or digital streaming.
This is referred  to as “binge-watching”


This couch-potato syndrome will have such people trying to catch up with all the episodes in the Game of Thrones,Breaking Bad,House of Cards or Broadchurch and every other eye-catching series.They are more likely to be suffering from low moods.
Even worse,some viewers subscribe to services that give them unlimited online access to films and TV shows.
When an episode from a series ends in that service, it automatically starts screening the next episode after 15 seconds.
A series like House of Cards was made available all in one go online rather than releasing an episode per week.This only made it worse for addicts.
When binge-watching becomes rampant  they could neglect work,relationships and even their family.
As a matter of fact,happier people have other things to do with their leisure time, such as volunteering, pursuing hobbies or spending time with friends.
Health problems related to extensive watching include physical fatigue and obesity and they really are a cause of concern.
The findings of this research should be a wake up call for those who thought binge-watching was  harmless or believed they can never end up being victims of depression when they actually are without their consent.
Even though watching is an important media aspect,it could greatly affect the social phenomenon. http://dgfpbd.blogspot.com
by health care and family planning

Tuesday, March 29, 2016

ভিটামিন টেবলেটের ক্ষতিকারক প্রভাব

ভিটামিন
ভিটামিন শরীরের জন্য ভালো – এটা সবাই জানে। কিন্তু এর আবার মন্দ দিক? হ্যাঁ, সেটাও আছে বৈ কি! ভিটামিন খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আজকাল অনেকেই বেশ সচেতন। আসলে অধিকাংশ প্রকৃতিজাত খাদ্যবস্তুকে আমরা নানাভাবে শোধিত বা process করে, সংরক্ষণের জন্য জীবাণুনাশক রাসায়নিক পদার্থ যোগ করে, খাদ্যগত স্বাভাবিক ভিটামিনগুলোকে বহুলাংশে নষ্ট করে ফেলি। এ কারণেই ক্ষতিপূরণ হিসেবে অনেক সময় ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু ক্ষতিপূরণের চিন্তায় না গিয়ে শুধু স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে ভেবে আজকাল অনেকেই সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ভিটামিন খান মুড়ি-মুড়কির মতো করে। বিশেষ করে বি, সি এবং ই – এসব ভিটামিনগুলো। কিন্তু দেহের ভিটামিনের চাহিদা মেটানোর ব্যবস্থা করা উচিত খাদ্যের মাধ্যমে, ‘ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট’ গ্রহণের মাধ্যমে নয়। কেননা এতে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়।
ভিটামিন বি
মেশিনে ছাঁটা অতিরিক্ত শোধিত চাল বাদ দিয়ে কম ছাঁটা চালের ভাত আর তার সাথে তুষযুক্ত আটার রুটি পরিমাণমতো খেলে প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি স্বাভাবিকভাবেই পাওয়া যায়। কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণে ‘বি-কমপ্লেক্স’ গোষ্ঠীভুক্ত ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খেলে, বিশেষ করে ভিটামিন বি-১ খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা দিতে পারে অ্যালার্জি। আবার অতিরিক্ত ভিটামিন বি-২ বা নিয়াসিন খেলে শুরু হতে পারে মাথাধরা, বমি বমি ভাব ইত্যাদি।
ভিটামিন সি
মানুষ নিজদেহে ভিটামিন সি তৈরি করতে পারে না। তাই আলাদাভাবে এই ভিটামিন সি গ্রহণের প্রয়োজন হয়। এটা জেনে অনেকে ভাবেন যে শুধু খাদ্যের মাধ্যমে নয়, সাপ্লিমেন্ট হিসেবেও প্রচুর পরিমাণে বাড়তি ভিটামিন সি খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু ভিটামিন সি-এর দৈনিক প্রয়োজন যা তা ১ টুকরো পেয়ারা বা ১টি লেবু অথবা ২টি টমেটো কিংবা ১টা বড় কমলালেবু থেকেই পাওয়া যেতে পারে।
অতিরিক্ত সিন্থেটিক ভিটামিন সি খাওয়া আবার স্বাস্থ্যের জন্য বিপদজনক। কারণ এতে নষ্ট হয়ে যায় শরীরে অন্যান্য ভিটামিন এবং খনিজ লবণের ভারসাম্য। তাছাড়া সিন্থেটিক ভিটামিন সি দীর্ঘদিন গ্রহণ করলে দেখা দিতে পারে স্কার্ভি রোগ, মেয়েদের অকাল রজঃস্রাব এবং অনেক ক্ষেত্রে বাতের আক্রমণ।
ভিটামিন সি ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে পারে, এমনকি ঠাণ্ডা লেগে গেলে তার স্থায়িত্বের সময়ও কমিয়ে দিতে পারে। কিন্তু প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি-তেই এ কাজ সম্ভব। তাই যাদের খাদ্যে ভিটামিন সি-এর মারাত্মক অভাব তারা ওই ১০০ থেকে ২০০ মিলিগ্রাম সিন্থেটিক ভিটামিন সি খেতে পারেন। কিন্তু এজন্য একবারে একগাদা ভিটামিন সি খাওয়া কোনোমতেই ঠিক নয়।
ভিটামিন ই
ভিটামিন ই পাওয়া যায় প্রচলিত সবরকম খাদ্যে। বিশেষ করে শস্যদানা এবং শাকপাতায়। বিজ্ঞাপনে বিশ্বাস করে অনেকেই মনে করেন যে, সিন্থেটিক ভিটামিন ই যৌনশক্তি বাড়িয়ে দেয়, জরা প্রতিরোধ করে এবং হৃদরোগ হতে দেয় না। এগুলোর সত্যতা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে যথেষ্টই। প্রকৃতপক্ষে ভিটামিন ই-এর অভাব ঘটেছে এরকম রোগীর খবর নেই বললেই চলে। কারণ একে তো এই ভিটামিন সাধারণ খাদ্যের মধ্যে যথেষ্টই আছে, তাছাড়া আমাদের দেহে এই ভিটামিন সঞ্চিতও থাকতে পারে দীর্ঘদিন ধর.. More - http://dgfpbd.blogspot.com
--

Monday, March 28, 2016

১০ মিনিট হাটা কমাতে পারে মৃত্যুর ঝুঁকি

আপনি যদি চান ভাল থাকতে তাহলে এক নাগাড়ে কোথাও বসে না থেকে কয়েক মিনিটের জন্য সামান্য নড়াচড়া যেমন হাঁটা কিংবা রান্নাবান্নার কাজ করতে পারেন। এতে আপনার মৃত্যুঝুঁকি কমবে। নতুন এক গবেষণায় এমনটি দাবি করা হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ বিভাগের পরিচালনায় জাতীয় স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি পরীক্ষার জরিপ থেকে তিন হাজার ব্যক্তির তথ্য পর্যালোচনা করেন গবেষকরা।


 জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা ছিল ৫০ থেকে ৭৯। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের সাত দিনের জন্য হাতে অ্যাকসেলেরোমিটার (অতি সংবেদনশীল অ্যাক্টিভিট ট্র্যাকার) পড়ানো হয়। গবেষকরা বলেন, কম কর্মক্ষম ব্যক্তিদের দ্রুত মারা যাওয়ার সম্ভাবনা পাঁচ গুণ বেশি। আর মধ্যমমানের কর্মক্ষমদের মৃত্যুর ঝুঁকি তিন গুণ বেশি। পেনিনসিলভ্যানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরেট প্রার্থী এবং প্রধান লেখক ইজরা ফিশম্যান বলেন, আমরা দেখেছি, যারা কম বসে থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যায়াম করেছেন তারা দীর্ঘায়ু পেয়েছেন। বসে না থেকে যারা হাঁটেন, রান্না করেন, থালাবাসন মাঝেন, ফ্লোর পরিষ্কার বা অন্য কোনো শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করেন তারা দীর্ঘায়ু লাভ করেন।
গবেষকরা বলেছেন, ক্রনিক অবস্থা এবং শারীরিক অসুস্থতা মৃত্যু হারে প্রভাব ফেলে। তাছাড়া, ধূমপান, বয়স, লিঙ্গ, নির্ণীত শারীরিক অবস্থার বিষয়গুলো গবেষণায় বিবেচনা করা হয়েছে।   ইজরা ফিশম্যান বলেন, প্রতিদিন মাত্র ১০ মিনিটের শারীরিক কার্যক্রম ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। ৩০ মিনিট কম বসে থেকে যদি শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করা হয় তাতে ভালো ফলাফল দিতে পারে। অকাল মৃত্যুর সম্ভাবনা কমাতে প্রচুর ঘাম ঝরানো প্রয়োজন নেই।
http://dgfpbd.blogspot.com

Saturday, March 26, 2016

Asthma attack and improve

২০ নভেম্বর ছিল World COPD Day
COPD মানে হল ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ- অর্থাৎ ফুসফুসের বিশেষ কিছু রোগকে একত্রে COPD বলা হয়ে থাকে। এই রোগগুলোর মধ্যে এ্যাজমা বা হাঁপানির প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে পৃথিবীতে ২৩৫ থেকে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন লোক আক্রান্ত রয়েছে হাঁপানিতে, এর মাঝে গত এক বছরে মারা গেছেন প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ। তাই আপনি এ রোগের বাইরে আছেন এমনটা ভেবে নিশ্চিন্ত থাকার কোন কারণই নেই। তাই আপনি আসলেই আক্রান্তদের মাঝে আছেন কি না তা যাচাই করে নিন।
এ্যাজমা বা হাঁপানির প্রধান উপসর্গগুলো হচ্ছেঃ
নিঃশ্বাসে কষ্ট হওয়া, বুকে চাপ দেওয়ার অনুভূতি হওয়া বা ব্যথা হওয়া, ঠান্ডা লাগলে নিঃশ্বাস নেবার সময় বুকে শব্দ হওয়া, কাশি, শ্বাসকষ্টের জন্য ঘুমাতে সমস্যা ইত্যাদি হতে পারে।
অনেকেই ঠান্ডা লেগে বুকে শব্দ হওয়াকে কফ জনিত শব্দ বলে অবহেলা করেন কিন্তু হাঁপানির অন্যতম প্রধান লক্ষণই এটি।
আর কিছু কিছু ক্ষেত্র আছে যখন এসব লক্ষণ বা উপসর্গ খুব বেশি প্রতীয়মান হয়; এমনটা দেখলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াটাই শ্রেয়। সেই ক্ষেত্রগুলো হচ্ছেঃ
খেলা-ধুলা বা ব্যায়াম করার সময় যদি শ্বাসকষ্ট হয়। বিশেষ করে শুকনো ও ঠান্ডা বাতাসে (যেমনঃ শীতের দিনে) ব্যায়াম করতে গেলে বেশি সমস্যা হলে।
বেশি ধুলোবালি বা রাসায়নিক দ্রব্য নিঃশ্বাসে প্রবেশ করার সময় শ্বাসকষ্ট হলে। বিশেষত ঘর-বাড়ি পরিস্কারের সময় বা বায়ু খুব দূষিত এমন এলাকায় ভ্রমনের সময় নিজের শ্বাস প্রশ্বাসের দিকে খেয়াল রাখুন। আপনার কর্মস্থলে রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার খুব বেশি হলেও আপনি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
এলার্জির উদ্রেক করে এমন জিনিসের সংস্পর্শে এলেও আপনার এ্যাজমার উপসর্গগুলো বেড়ে যেতে পারে।
হাঁপানির উপশম-
অনেকেরই ধারণা হাঁপানির সম্পূর্ণ উপশম সম্ভব, অন্তত রাস্তা-ঘাটে যারা ঔষধ বিক্রি করেন, তাদের তো এই নিয়ে বড়াইয়ের শেষ নেই। কিন্তু সত্যি কথা হল হাঁপানির কোন চিরস্থায়ী উপশম নেই। হয়ত ঔষধের ব্যবহার ও শুষ্ক আবহাওয়ায় টানা অনেকদিনের জন্য ভাল থাকতে পারেন একজন হাঁপানি রোগী, কিন্তু এলার্জেন বা ধুলোবালি ভরা বাতাসে নিঃশ্বাস নিয়ে, আর্দ্র আবহাওয়ায় ফিরে এলে আবারও তাদের হাঁপানির উপসর্গগুলো ফিরে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই বেশি।
আপনার বাড়িতে রক্তের সম্পর্কীয় কারও হাঁপানি থাকলে, এলার্জির সমস্যা থাকলে, ধূমপানের অভ্যাস থাকলে বা আশেপাশের কেউ চেইন স্মোকার হলে, ক্রমাগত বায়ু দূষনের শিকার হলে আপনার হাঁপানি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। তাই সম্ভব হলে এই ব্যাপারগুলো এড়িয়ে চলুন। বিশেষত ধূমপায়ীদেরকে সিগারেট খেতে নিরুৎসাহিত করুন; কারণ শুধু হাঁপানিই নয় দেহের প্রায় বেশিরভাগ ক্যান্সারের সাথে ধূমপানের সম্পর্ক রয়েছে। ধূমপায়ীদেরকে নিরুৎসাহিত করাই এবারের World COPD Day এর উদ্দেশ্য। এবারের প্রতিপাদ্য তাই “It’s not too late”। আসলেই, এখনও দেরি হয়ে যায়নি- আপনার, আপনার সন্তানদের বা প্রিয়জনকে হাঁপানি কিংবা ক্যান্সার থেকে বাঁচাতে আজই পদক্ষেপ নিন।
more - http://dgfpbd.blogspot.com

ক্যান্সারে আক্রান্ত-কারন সমুহ

ক্যান্সারে আক্রান্ত-কারন সমুহ
বর্তমানে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে অনেক বেশী। এবং প্রতিদিনই আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ধূমপান, সূর্যের রশ্মি, রাসায়নিক পদার্থ, বাড়তি ওজন সহ আরও নানান কারণে কান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন যে কোনো মানুষ। জরিপে দেখা যায় সাধারণত প্রতি ৪ জন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে মারা যান ১ জন ব্যক্তি। কিন্তু চিকিৎসার অভাব ও অবহেলার কারণে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ জন পর্যন্ত।
অনেক সময় ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো ভালো ভাবে না জানার কারণে শরীরে ছড়িয়ে পরে ক্যান্সার। যা বেশি মাত্রায় ছড়ানোর পর চিকিৎসা করে ভালো করা সম্ভব হয় না। ক্যান্সারের লক্ষণগুলোকে ভালো ভাবে জানলে প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসার মাধ্যমে ক্যান্সারকে নির্মূল করা সম্ভব হয়। তাই আমাদের জানতে হবে ক্যান্সারের লক্ষণগুলোকে।

অতিরিক্ত মাত্রায় ওজন কমে যাওয়া
কোন কষ্ট না করেও ওজন কমতে থাকলে খুব খুশি হওয়ার কিছুই নেই। এটা হতে পারে ক্যান্সারের লক্ষণ। ডায়েটিং কিংবা খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে ওজন কমতে থাকলে সমস্যা নয়। সমস্যা হলো কোন প্রকার ডায়েটিং কিংবা খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন না করে ওজন কমতে থাকলে। এবং বেশি মাত্রায় কমতে থাকলে। অবশ্যই ডাক্তারের কাছে চেকআপের জন্য যাওয়া দরকার।
ক্রমাগত জ্বর এবং কাশি হওয়া
ঠাণ্ডা কিংবা ঋতু পরিবর্তনের সময় একটু আধটু জ্বর বা কাশি হওয়াকে আমরা কেউই পাত্তা দিই না। কিন্তু যদি টানা জ্বর উঠা এবং কাশি থাকা শুরু করে তবে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। কারন ক্রমাগত জ্বর ওঠা এবং কাশি হতে পারে ব্লাড ক্যান্সার, লিম্ফোমা, লিউকোমিয়ার লক্ষণ। ক্রমাগত জ্বর এবং কাশি থাকা অবহেলা করবেন না কখনোই।
অতিরিক্ত এবং প্রায়ই মাথা ব্যথা এবং মেরুদণ্ড ব্যথা হওয়া
মাইগ্রেনের কারণে অনেকেই মাথা ব্যথায় ভুগে থাকেন। ঠাণ্ডা লেগেও অনেকের মাথা ব্যথা হয়। কিন্তু একটানা অতিরিক্ত মাথা ব্যথা হওয়া ভালো লক্ষণ নয়। ডাক্তারের কাছে পরামর্শের জন্য চেকআপ করান। কারণ অতিরিক্ত মাথা ব্যথা হতে পারে ‘ব্রেইন ক্যান্সারের’ লক্ষণ। আবার একটানা বসে থাকলে পিঠ না মেরুদণ্ড ব্যথা হয় বলে আমরা মেরুদণ্ড ব্যথাকে পাত্তা দেই না। কিন্তু এটিও হতে পারে ক্যান্সারের লক্ষণ। সুতরাং অবহেলা না করে চেকআপ করান।
চামড়ার নিচে ফোলা বা দলা ভাব
ক্যান্সারের প্রথম এবং প্রধান লক্ষণ হচ্ছে শরীরের চামড়ার নিচে গুটি গুটি হয়ে ফুলে ওঠা বা দলা পাকানো গোটার মতো অনুভব করা। তবে এই গুটি গুলো বুক বা বুকের আশে পাশে অথবা যৌনাঙ্গে দেখা দিলে ক্যান্সারের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। শরীরের অন্যান্য অংশ যেমন হাত, পায়ে দেখা দিলে ভয়ের কিছু নেই।
অস্বাভাবিক রক্তপাত
কফ বা কাশির সাথে রক্ত যাওয়া ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। এছাড়া পস্রাব-পায়খানার সাথে রক্ত পরাও হতে পারে ব্লাডার ক্যান্সারের কারন। স্তন থেকে রক্ত পরা স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ। এইসব লক্ষণ দেখার সাথে সাথে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।
শরীরের চামড়ায় পরিবর্তন
চামড়ায় ছোট ছোট দানা হওয়া কিংবা শরীরের চামড়ার মাঝে মাঝে রঙের পরিবর্তন, কোন কারণ ছাড়াই জখমের মত দাগ হওয়া সবই মেলানোমার লক্ষণ। অর্থাৎ চামড়ার ক্যান্সারের লক্ষণ। এইসব দাগ কিংবা পরিবর্তনের দিকে লক্ষ রাখুন। চামড়ায় কোনো ধরনের পরিবর্তনে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
খুব দ্রুত ক্লান্ত এবং অবসাদগ্রস্থ হয়ে পড়া
অনেক সময় কাজের ব্যস্ততায় কিংবা কাজের মধ্যে থাকলে আমরা ক্লান্তি বোধ করি। এমনকি মাঝে মাঝেই ক্লান্ত এবং অবসাদগ্রস্থ থাকি বলে এই নিয়েই কাজ করি। অনেক সময় বিস্রাম নেয়ার পরও এই ক্লান্তি দূর হয় না বলে আমরা ভাবি আমাদের পরিমিত বিশ্রাম হচ্ছে না। কিন্তু আমরা ভাবতেও পারি না এটিও হতে পারে ক্যান্সারের লক্ষণ। সামান্যতেই ক্লান্ত এবং অবসাদবোধ হওয়াকে অবহেলা না করে চেকআপের জন্য ডাক্তারের কাছে যান।- http://dgfpbd.blogspot.com

Tuesday, March 22, 2016

আপনি কি কফি খান? তাহলে জেনেনিন কফির ৫ টি ক্ষতির প্রতিক্রিয়া।

হিসেবে কফি খুব জনপ্রিয়।
-কফিতে থাকা ক্যাফেইন আমাদের স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমান কফি পান স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি করে না, বরং উপকারি। কিন্তু যখন কফিপান নেশায় পরিণত হয় এবং ওটা ছাড়া একটা দিন কাটানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায় তখন আপনার জানা উচিত অতিরিক্ত কফি পানের কিছু ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাহলে জেনে নিন কফির কিছু ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে:
১। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কফি পান করলে পাকস্থলিতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন হতে পারে। হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাদ্য পরিপাকে ব্যবহৃত হয়। পাকস্থলিতে প্রচুর পরিমানে হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন হলে খাদ্যের আমিষ উপাদান ভাঙতে সমস্যা হয়। বদহজম সহ নানা ধরণের পেটের অসুখ হতে পারে।
২। কফির বীজে থাকে ক্যাফেইন ও অন্যান্য অম্লীয় যৌগ যা পাকস্থলির গাত্রে ক্ষত সৃষ্টি করে ফলে আলসার, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা প্রকটভাবে দেখা দিতে পারে।
৩। প্রচুর কফিপানের ফলে আপনার কিডনিতে পড়তে পারে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব। ব্যহত হতে পারে কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রম।
৪। উচ্চ তাপমাত্রায় কফির বীজ থেকে কফি প্রক্রিয়াকরণের সময় ক্যান্সারে প্রভাব বিস্তারকারী উপকরণ তৈরি হতে পারে। তাই প্রচুর কফি পানে ক্যান্সারেরও সম্ভবনা আছে।
৫। প্রচুর কফি পানে শরীরে উদ্দীপনা আসে ঠিকই, কিন্তু এটা মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে স্নায়ুতন্ত্রের উপর। স্বাভাবিক উদ্দীপনাও হারিয়ে ফেলতে পারেন একসময় এতে করে।
খাবার ও পানীয় গ্রহণে সচেতন হোন। পরিমিত খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করুন। সুস্থ থাকুন।- http://dgfpbd.blogspot.com

সুখবর-মোবাইল ফোন-এ- মানবদেহের ক্ষতি হয় না।

মোবাইল ফোন।
 ক্যান্সারের অন্যতম কারণ, এই ভয়াবহ অপবাদ  ছিল মোবাইলের ঘাড়ে। নতুন এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে শিশু অবস্থায় ক্যান্সার বা রক্তের ক্যান্সারের(লিউকোমিয়া) কারণ নয় এই দরকারি যন্ত্রটি।
বহুদিন ধরেই ভয় ছিল মোবাইল ফোনের অতি ব্যবহারকে কেন্দ্র করে। মনে করা হত মোবাইল ফোন ও টাওয়ার থেকে যে রেডিওতরঙ্গ নির্গত হয় তা মস্তিষ্কে টিউমার, মাথা যন্ত্রণা ও ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। কিন্তু ব্রিটেনের নতুন গবেষণা অনুযায়ী মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
পৃথিবীজুড়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিটেনের মোবাইল টেলিকমুউনিকেশন অ্যান্ড হেলথ রিসার্চ প্রোগ্রামের তরফ থেকে ইলেক্ট্রোম্যগনেটিক তরঙ্গ বিশেষজ্ঞ মার্টিন গ্লেডহিল জানিয়েছেন মোবাইল থেকে নির্গত রেডিওতরঙ্গ শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক কি না সে বিশেষ কোনও প্রমাণই পাওয়া যায়নি বিশেষজ্ঞ দলের গবেষণায়।
এক দশকের গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন গর্ভবতী অবস্থায় মোবাইল ফোনের ব্যবহার গর্ভস্থ ভ্রূণের বিন্দুমাত্র ক্ষতি করে না। লিউকোমিয়ার কারণ হিসাবেও সেল ফোনকে দায়ী করার বিরোধিতা করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
মোবাইল ফোন ও wi-fi ডেটা থেকে যে রেডিও সিগন্যাল নির্গত হয় স্বাস্থ্যের উপর তার কোনও প্রভাব পড়ে না বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।http://dgfpbd.blogspot.com

Hard Health tips

হৃৎপিণ্ডের সুস্থতায় অনেকেই অনেক কাজ করে থাকেন। নিয়মিত এবং পরিমিত খাওয়া দাওয়া, শারীরিক ব্যায়াম, মানসিক চাপ মুক্ত থাকার চেষ্টা সবই হৃৎপিণ্ডকে রাখে সুস্থ এবং সবল। বয়স হয়ে যাওয়ার পরও এই ধরনের অভ্যাস গুলো হৃৎপিণ্ডকে রাখবে কর্মক্ষম। এছাড়াও কিছু অদ্ভুত কাজ রয়েছে যা করার অভ্যাস করলে হৃৎপিণ্ড থাকবে সুস্থ। আসুন জেনে নেই সেই ৪টি “অদ্ভুত” কাজ যা হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখার জন্য বেশ কার্যকরী।
প্রতিদিন ডার্ক চকলেট খাওয়া
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যাদের প্রতিদিন ডার্ক চকলেট খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তারা কার্ডিওভাসকুল্যার সমস্যা এবং স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা থেকে নিরাপদে থাকেন। প্রতিদিন সামান্য ডার্ক চকলেট দেহের বাড়তি কোলেস্টরল শুষে নেয়ার কাজ করে এবং রক্তের প্রোটিনের মাত্রা পরিমিত রাখে। এতে হৃৎপিণ্ড থাকে সুস্থ।
ট্র্যাফিক জ্যাম থেকে দূরে থাকা
কাজটি বেশ কঠিন হলেও এই কাজটি আপনার হৃৎপিণ্ডকে রাখবে সুস্থ ও সবল। ডাক্তাররা বলেন ট্র্যাফিক জ্যামে বসে অস্থির সময় পার করলে, জ্যামের অসহনীয় হর্ন এবং শব্দ সবই রক্ত চাপের মাত্রা বাড়ায়। এতে স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায় এবং হৃৎপিণ্ডের সমস্যা বাড়ে। তাই ট্র্যাফিক জ্যাম থেকে দূরে থাকুন।
পরিমিত ঘুমান
গবেষকগন বলেন যারা প্রতিদিন ৬ ঘণ্টার চাইতে কম ঘুমান তাদের অন্যান্যদের তুলনায় হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪৮% বেশি। এছাড়াও যারা নিয়মিত কম ঘুমান তারা প্রায় ১৫% বেশি ডায়বেটিস রোগে আক্রান্ত হন। সুতরাং নিয়মিত ৭/৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন হৃৎপিণ্ড ভালো থাকবে।
কোমল পানীয় থেকে দূরে থাকুন
যে কোন ধরনের কোমল পানীয় এমনকি ডায়েট ড্রিঙ্কস পান করলেও হৃদরোগে আক্রান্তের সম্ভাবনা প্রায় ৩৫% বেড়ে যায়। কোমল পানীয়, ডায়েট ড্রিঙ্কস, সোডা সবগুলোতেই কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকে বলে হৃদপিণ্ডের অনেক ক্ষতি হয়। সুতরাং এইধরনের পানীয় থেকে দূরে থাকুন।http://dgfpbd.blogspot.com

Monday, March 21, 2016

লিপস্টিক হতে পারে প্রাণঘাতী ক্যান্সারের কারণ?

কমবেশি সব নারীরাই প্রতিদিনই লিপস্টিক ব্যবহার করেন। আর তাই দোকান গুলোতে নানান রঙের ও নামীদামী ব্র্যান্ডের লিপস্টিক সাজিয়ে রাখেন বিক্রেতারা। কিন্তু আপনি কি জানেন লিপস্টিক হতে পারে প্রাণঘাতী ক্যান্সারের কারণ? সম্প্রতি একটি গবেষণায় এমনই তথ্য পাওয়া গিয়েছে।
লিপস্টিকে উপস্থিত কিছু ধাতব উপাদান মানবদেহের অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষণায় অংশগ্রহণকারী একজন গবেষক। গবেষণাটি Environmental Health Perspectives নামের একটি সরকারী ম্যাগাজিনে প্রকাশ পেয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা গবেষণার জন্য ১৪ থেকে ১৯ বছর বয়সী বার জন মেয়েকে নির্বাচন করেছেন। তাঁরা সবাই অকল্যান্ডের অধিবাসী। তাদের কাছ থেকে তাদের ব্যবহৃত লিপস্টিক ও লিপগ্লসের নাম ও ব্র্যান্ড সম্পর্কে জানা হয়েছিলো এবং সেগুলোর নমুনা আনা হয়েছিলো। গবেষকদের জরিপে ৮টি লিপস্টিক ও ২৪ টি লিপগ্লসের নাম জানা গিয়েছিলো।
গবেষকরা গবেষণাগারে লিপস্টিক গুলোতে উপস্থিত উপাদান সম্পর্কে জানতে গিয়ে সেগুলোতে মানবদেহে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী শিশা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম ও অন্য আরো ৫টি ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি পায়।
গবেষকরা জানান যে অধিকাংশ লিপস্টিকেই এসব উপাদানের কমবেশি উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই উপাদান গুলো ঠোট থেকে পেটে চলে যায় এবং প্রাণঘাতী ক্যান্সার সহ আরো নানান সমস্যা সৃষ্টি করে।http://dgfpbd.blogspot.com

Friday, March 18, 2016

Tetanus vaccine is safe, experts say

Tetanus vaccine is safe, experts say


The controversial tetanus vaccine is still being investigated by a joint team of experts and Kenyans will still have to wait longer for a comprehensive report.
Three samples are due for further tests as the Chairman of the conference of Catholic Bishops Stephen Karanja briefed the press on the progress of investigations on the controversial Tetanus vaccine.
Experts from the Ministry of Health and the Catholic Church said while the preliminary results from a local laboratory showed that some vials contained beta HCG, majority of those tested were negative.
The Catholic Church claimed that the vaccine administered to women contained a birth control matter.
“The total number of vials was 59. Three of the tested vials were found to contain beta human chorionic gonadotrophin (HCG). These three vials were collected from the field during the campaign and submitted as open vials having being previously tested in other laboratories,” said the Dean of the School of Medicine at the University of Nairobi Fred Were, who is a co-chair of the committee.
He also mentioned that all the other 56 vials tested were found to be negative for beta HCG including those with batch numbers corresponding to the three vials that tested positive.
During the March and October 2014 campaign period, nine vials from the Kenya Catholic Bishops Conference (KCCB) were tested and found to contain beta HCG.


However, this raised the question of contamination in the process of collection and storage since the vials were open.
The vaccines were then submitted to two laboratories, one local and another in Germany; the final results are expected next week and will be released to the public.
The committee was formed to look into the matter following the church’s concern that the tetanus toxoid vaccine contained a substance that causes infertility and miscarriages.Therefore, a fresh round of medical tests had to be carried out.
The committee recommended that there be regular checking of vaccines brought into the country.
Nicholas Muraguri, the director of Medical services in Kenya assured the public that they have nothing to fear since the results were a positive indication.
Nonetheless, he said that they would still examine the three vials that were found to contain the substance for further clearing up.
http://dgfpbd.blogspot.com

Thursday, March 17, 2016

Health Benefits Of An Affectionate Relationship

Health Benefits Of An Affectionate Relationship-বাংলায় tinseled করে পড়ুন।
by Brewer · DGFPBD- 2016


Even the Beatles sang “All you need is love”.They might have been on to something on being in an affectionate relationship.Lets take a look at the health benefits of being in an affectionate relationship.
We investigate the benefits that accrue a relationship other than what sex offers.
A little love put in your heart encourages healthful behaviours such as quitting smoking,alcohol or keeping fit.
Affectionate relationships with a supportive partner  may contribute to lower reactivity to stressful life events.

It is not just sex that leads to improved well-being, but being in a satisfying relationship overall. People in a close  relationship are more likely to report they were in “excellent” or “very good” health, rather than merely “good” or “poor.”
Acts of intimacy, such as sexual intercourse, holding hands and looking into another person’s eyes, stimulate the release of oxytocin in men and women.
Withdrawal from oxytocin after social loss  leads to the depressive side effects.
Oxytocin is the same hormone responsible for the kind of bonding a mother has to their newborn.
However,it’s not all gloom and doom for those who are single.Having a good network of friends can have many of the same positive effects as being in a relationship. See more - http://dgfpbd.blogspot.com

Tuesday, March 15, 2016

কিছু খাবারের তালীকা,যা কিছু রোগের খুব উপকারী







 ঢেড়স

ঢেঁড়স হাঁপানী রোগে খুব উপকারী। প্রাচীন হারবাল চিকিৎসায় হাঁপানি রোগ সারাতে ঢেঁড়সকে ঔষধ হিসেবে ব্যবহারা করা হয়েছে। ঢেঁড়স বীজের তেল শ্বাসকষ্ট কমাতে পারে।


বেগুন
•কোলেস্টেরল দূর করে
•বেগুন ক্যান্সার প্রতিষেধক
•রক্তশুন্যতা প্রতিরোধ করে
•মুখের ঘা দূর করে
•ক্ষতস্থান শুকাতে সাহায্য করে
•কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
বেগুনের আয়ুর্বেদিক ব্যবহারঃ
•বেগুন অনিদ্রা রোগ দূর করে
•কচি ও শাসালো বেগুন খেলে জ্বর সারে।
•বেগুনের রসে মধু মিশিয়ে খেলে কফজনিত রোগ দূর হয়
•এ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে বেগুনে উপশম হয়


মাশরুম ও আঁশযুক্ত সবজি
•মাশরুমে এডিনোসিন থাকাতে এটি ডেঙ্গু জ্বরের প্রতিরোধক হিসেবেও কাজ করে
•গর্ভবতী মাকে নিয়ম করে মাশরুম খেতে দিন, এতে প্রাকৃতিকভাবেই নবজাতকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে
•মাশরুমের লিংকজাই-৮ নামক উপাদানটি হেপাটাইটিস-বি জন্ডিসের প্রতিরোধক
•মাশরুমে চর্বি ও শর্করা থাকে পরিমাণে কম এবং আঁশ থাকে বেশি, তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী
•নিয়মিত মাশরুম খেলে হৃদ্রোগ ও উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগগুলো এড়ানো যায়


কফি

C
Coffee
•দৈনিক এক কাপ কফি পানে আপনার দৃষ্টিশক্তির সুরক্ষা অনেকটাই নিশ্চিত করে
•বার্ধক্য ও ডায়াবেটিসের কারণে সম্ভাব্য অন্ধত্ব প্রতিরোধ করতে সাহায্য


বেল
•বেল মুখের ব্রণ সারাতে সাহায্য করে
•কাঁচা বেল ডায়রিয়া ও আমাশয় রোগে ধন্বন্তরী ওষুধ হিসেবে বিবেচিত
•বেলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও পটাসিয়াম
http://dgfpbd.blogspot.com

Sunday, March 13, 2016

LOVE OR LUST? YOUR EYES COULD TELL YOU OUT!

LOVE OR LUST? YOUR EYES COULD TELL YOU OUT!by dgfpbd


What could two lovebirds gazing at each others eyes or attracted to each other’s body mean. A study has revealed that gazing at each others eyes indicates romantic love, while gazing at each others body indicates feelings of sexual desire.
Lead study author Stephanie Cacioppo, director of the University of Chicago High-Performance Electrical Neuro-imaging Laboratory, said in a statement that these telling glances can last in such a short time as half a second.
Cacioppo said that although little was known in terms of the science of first love, these eye gestures could provide the first clues towards unravelling this mystery and help use distinguish between feelings of love and feelings of desire towards strangers.
Cacioppo and her colleagues published a review in 2012 in the journal of sexual medicine that stated that feelings of romantic love and sexual desire activate different areas of the brain.
 
This new study was to examine whether researchers could identify feelings of love or lust based solely on eye tracking data.
In the first part of the study, 16 heterosexual students were shown 120 black and white pictures of heterosexual couples interacting with each other. In the second part, they were shown 40 pictures of attractive people of the opposite gender. The researchers did not use nude or erotic pictures on the participants.
In both cases, the researchers had to quickly report whether they felt feelings of love or lust after they looked at the pictures. Glances of love or lust took the same amount of time, indicating to the researchers that the brain takes approximately the same amount of time to process the same information.
However, analysis on eye tracking data revealed that those who looked at the people faces reported feelings of romantic love, while those who looked at their bodies reported feelings of sexual desire. This was the same for both men and women.
Eye tracking paradigm may open up new avenues for diagnosis for psychiatrists and clinicians and couple therapy said Co-author John Cacioppo, professor and director of the Center for Cognitive and Social Neuroscience at the University of Chicago.more dr able able of Bangladesh. More see-
http://dgfpbd.blogspot.com

Wednesday, February 24, 2016

Asthma

হাপানী
লক্ষনঃ
•শ্বাসকষ্ট
•শুকনো কাশি
•শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাঁশিরমতো সাঁ সাঁ শব্দ
•হঠাৎ দমবন্ধ ভাব অনুভব করা
প্রাথমিক চিকিৎসাঃ
•রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু ইনহেলার (inhaler) জাতীয় শ্বাস নালীর প্রসারক বা ব্রঙ্কডাইলেটর (bronchodilator) ব্যবহার করে এবং কিছু নিয়ম মেনে এটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়
•রোগের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে আরো শক্তিশালী ব্রঙ্কডাইলেটর ইনহেলার এবং সঙ্গে ট্যাবলেট জাতীয় ব্রঙ্কডাইলেটর এমনকই স্টেরয়েড জাতীয় অসুধ ও ব্যবহার করার প্রয়োজন হতে পারেhttp://dgfpbd.blogspot.com

Tuesday, February 23, 2016

Tuberculosis

যক্ষা বা টিবি একটি ইনফেকশন জাতীয় রোগ। এক সময় যদিও ধারনা ছিলো যে যক্ষা একটি ভয়ানক মরণ ব্যাধি কিন্ত এখন বলা হয় যক্ষা হলে রক্ষা নাই এই কথার ভিত্তি নাই । মূলত মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস (Mycobacterium tuberculosis) নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমনের কারনে এই রোগ হয় যার সংক্ষিপ্ত নাম টিবি বা টিউবারকল বেসিলাই আর সে কারনেই এই রোগ কে সংক্ষেপে টিবি রোগ বলা হয়। তবে অন্য মাইকোব্যাকটেরিয়া জাতীয় জীবানু ও এই রোগ করতে পারে। টিবি কিন্ত শুধু ফুসফুসেরই রোগ নয়, ফুসফুস ছাড়াও এটা শরীরের প্রায় সব অংগেই হতে পারে।
ফুসফুসে যক্ষা বা টিবি হলে সন্ধ্যা বেলায় জ্বর আসা, কফ কাশী, কাশীর সাথে রক্ত যাওয়া সহ ক্ষুধামন্দা, ওজনহীনতা, অবসাদ ও ক্লান্তি, রাতে ঘুমের মধ্যে ঘেমে যাওয়া সহ নানা উপসর্গ দেখা দিতে পারে।http://dgfpbd.blogspot.com
কফ পরীক্ষা যক্ষার সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য পরীক্ষা, তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই রোগ নির্নয় করতে এক্সরে পরীক্ষা এবং রক্ত পরীক্ষাও করা লাগে।
বিশ্বের অন্যান্য দরিদ্র দেশের মতো বাংলাদেশেও

Monday, February 22, 2016

অজ্ঞান

দেহের স্নায়ুতন্ত্রের কাজের বিঘ্ন ঘটলে রোগীর জ্ঞান লুপ্ত হয়ে যায়। এ অবস্থাকে অজ্ঞান বা অচেতন অবস্থা বলে। বিভিন্ন কারণে মানুষ অজ্ঞান হয় যেমন- রোগবশত, দুর্ঘটনাজনিত, বিষক্রিয়াজনিত এবং তাপের তারতম্যজনিত কারণে।

১। রোগীকে ফাঁকা ও বায়ুপূর্ণ স্থানে নিয়ে যেতে হবে।

২। রোগীর জামা-কাপড়, জুতা, মোজা, কৃত্রিম দাঁত থাকলে খুলে নিতে হবে।

৩। রোগীকে চিৎ করে শুইয়ে পর্যবেক্ষণ করে কী করণীয় তা স্থির করতে হবে।

৪। লোক বেশি হলে সরাতে হবে।

৫। রক্তক্ষরণ হলে তার প্রতিবিধান করতে হবে।

৬। কোনো উত্তেজক পানীয় বা খাদ্য খাওয়ানো যাবে না।

৭। বিষজনিত কারণে অজ্ঞান হলে রোগীকে উপুড়করে বুকের নিচে বালিশ দিয়ে শুইয়ে দিতে হবে। রোগীর দুটি পা হাঁটু হতে উপরের দিকে ভাঁজ করে দিতে হবে।

৮। জ্ঞান ফেরার জন্য মুখে পানির ঝাপটা দিতে হবে। গরম চা বা কফি খাওয়াতে হবে।

৯। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রোগীকে ডাক্তারের কাছে নিতে হবে।
http://dgfpbd.blogspot.com

Sunday, February 21, 2016

Lens problem

আমাদের চোখের ভেতরে ক্যামেরার মতো যে লেন্স (Lens) আছে তা অনেক সময় ঠিকমতো সংকোচিত হতে না পারলে আমরা দুরের অনেক জিনিস স্পষ্ট দেখতে পাইনা। এই রোগটির নাম মায়োপিয়া বা দুরদৃষ্টি। এই রোগে কাছের কোনো জিনিস দেখতে কোন অসুবিধা হয়না। সাধারণত মাথা ব্যথা বা এই জাতীয় সমস্যা নিয়ে রোগীকে এই রোগে অভিযোগ করতে শোন যায়না।
বয়স্ক লোকদের তুলনায় কমবয়সী লোকজনেরই এই রোগটি বেশী হতে দেখা যায়। অনেক সময় জন্মগত কারনেও এটি হতে পারে। চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে গেলে এই রোগটি আছে কিনা তা তিনি Retinoscopy পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করেন।SEEN MORE http://dgfpbd.blogspot.com.com
-
চোখে শুধুমাত্র Myopia রোগ থাকলে চশমায় একটি অবতল লেন্স (Concave lens)ব্যবহার করে চোখের এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করে চশমা ব্যবহার না করেও এই সমস্যার হাত থেকে রেহাই মেলে।

Friday, February 19, 2016

ঔষধ ব্যবহারে কিছু সতর্কতা খুবই জরুরী(medicine-carefully-used)

http://dgfpbd.blogspot.com
এন্টিবায়োটিক

চিকিৎসার জন্য এন্টিবায়োটিক একটি বড় স্থান দখল করে আছে! এন্ট্রিক ফিভার বা টাইফয়েড জ্বরের জন্য এক সময় সিপ্রোফ্লক্সাসিন নামের এন্টিবায়োটিক যথেষ্ট কার্যকরি থাকলেও এখন আর আগের মতো কাজ করে না অনেকের শরীরেই, শুধু মাত্র ঐ ঔষধের যথেচ্ছ ব্যবহারের জন্যই এমনটা হয়েছে, এখন সেই টাইফয়েড রোগের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন হয় তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন গ্রুপের এন্টিবায়োটিক!


চোখের ঔষুধ

•প্রথমত রুগীকে জানতে হবে তার কি চোখের কোন ড্রপ এ এলার্জী আছে কিনা? পূর্বের এলার্জীর ইতিহাস থেকে সেই ড্রপের নাম ডাক্তারকে চিকিৎসা নেবার পূর্বেই জানানো প্রয়োজন
•শরীরে চোখের রোগ ব্যতিত অন্য কোন রোগ আছে কিনা যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, হাঁপানী, বাতরোগ, ইত্যাদি তা ডাক্তারকে জানানো প্রয়োজন
•চোখের চুলকানী বা এলার্জীর চিকিৎসা হিসেবে কখনো কখনো ডাক্তার স্ঁল্প সময়ের জন্যে স্টেরইড আইড্রপ ব্যবহার এর পরামর্শ দেন এবং রুগী অনেক আরামবোধ করেন। কি‘ ডাক্তারের পরামর্শ ব্যাতিত রুগীরা এই ড্রপ মাসের পর মাস ব্যবহারের ফলে, চোখে ছানিরোগ এবং চাপ বেড়ে দিয়ে (গ্লুকোমা) চোখ অন্ধ হয়ে যেতে পারে
•আমাদের মধ্যে চোখে সমস্যা হরেই ওষুধের দোকান হতে এন্টিবায়োটিক ড্রপ কিনে চোখে ব্যবহারের প্রবণতা রয়েছে। এতে চোখের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দিনদিন কমে যায় এবং ঘনঘন চোখে ইনফেকশন হতে পারে
•আঘাতের কারণে অথবা অন্য যে কোন কারণে যদি কর্ণিয়াতে ঘা হয়, সেই ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিত স্টেরইড ড্রপ ব্যবহার করলে কর্ণিয়া ঘা বেড়ে গিয়ে কর্ণিয়া ছিদ্র হয়ে যেতে পারে
•যাদের চোখের ভেতর প্রদাহ বা ইউভাইটিস রয়েছে, সেইক্ষেত্রে পাইলোকারপিন এবং ল্যাটানোপ্রষ্ট জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা যায়না। এতে চোখের প্রদাহ বেড়ে যায়